About GRAIN PLUS

গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী)
গ্রেন প্লাসের কথা
”পানির অপর নাম জীবন” তেমনি “গাছের অপর নাম জীবন। গাছ আমাদের অক্সিজেন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে, গাছ আমাদের ঔষধ দিয়ে বাচিয়ে রাখে, গাছ আমাদের খাদ্যসহ জীবনের প্রতি মুহূর্তে উপকার করে। একজন মা যেমন তার শিশুকে সর্বদা আগলে রাখে একইভাবে গাছও আমাদের সর্বদা আগলে রাখে।

গাছের কথা বললাম এ কারনে যে আপনারা জানেন গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী) একটি হারবাল ঔষধ কোম্পানী। গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী) ২০০৫ সালে পাবনা শহরের উপকন্ঠে নাজিরপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে২০০৯ সালে পাবনা শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দুরে পাবনা পৌর এলাকার হেমায়েতপুর পূর্বপাড়ায় পাবনা মানসিক হাসপাতালের পূর্বপাশ্বে ও পাবনা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন কোম্পানীর নিজস্ব জায়গায় তিনহাজার বর্গফুট এরও বেশী আয়তনের স্থাপনার উপর স্থানান্তর করা হয়। প্রথমে স্বল্প পরিসরে ছোট জায়গা নিয়ে ঔষধ উৎপাদন শরু হলেও বর্তমানে শতাধিক কর্মকর্তা –কর্মচারীসহ বিরাট এলাকা নিয়ে নিজস্ব ভবনে কাজ করে যাচ্ছে। এর মাঝে ১৫টি জেলায় স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে এবং সারাদেশে আমরা মার্কেটিং করছি।ঐ সকল জেলায় রয়েছে আমাদের নিবেদিত প্রাণ এস.আর.এসপিও, এরিয়া ম্যানেজার, রিজিওনাল ম্যানেজার, সেলস ম্যানেজার, ডিস্ট্রিবিউটর ও কমিশন এজেন্ট। এ ছাড়া মার্কেটিং ম্যানেজার, পরিচালকবৃন্দ, হিসাবরক্ষক সহ অফিস স্টাফ, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এবং বি ইউ এম এস পাসকৃত প্রোডাকশন ম্যানেজার, মান-নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তা ও অন্যান্য ষ্টাফসহ প্রোডাকশন লেবার মিলিয়ে প্রায় শতাধিক।

আপনারা জানেন আজকের সারা পৃথিবীর দূষণের বিরুদ্ধে সচেতন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গোটা বিশ্বে সিনথেটিকের উন্নয়ন ঘটতে থাকে। আজকে সিনথেটিকের প্রভাবে প্রকৃতি অসহায়। জীবনের অভিজ্ঞতায় আজ সকলেই প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে চাইছে। বিশ্বব্যাপি পরিবেশ রক্ষা এখন কর্তৃব্য হয়ে দাড়িয়েছে। গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস সেই দায়িত্ব থেকে Herbal Medicine গবেষণা ও উৎপাদনের দায়িত্ব নিয়েছে।

ইতিহাসঃ Herbal Medicine দু-পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা যায়। প্রথমটি আয়ুর্বেদ ও দ্বিতীয়টি ইউনানী  পদ্ধতি গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনানী পদ্ধতিতে ঔষধ প্রস্তুত করে।

বেদ বিদ্যা হতে আয়ুর্বেদ উৎপত্তি যা কিনা ৩০০ বছরের পুরানো ইতিহাস। আসলে এটা ট্রেডিশনাল মেডিসিন, বিশেষ করে ইণ্ডিয়া এবং শ্রীলংকায় প্রথম অনুশীলন হয়। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আয়ুর্বেদ, ইউনানী হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ সমাধান।

আয়ুর্বেদ, ইউনানী হচ্ছে বিজ্ঞান অথবা Wishdom এর মধ্যে সবকিছুর অর্ন্তভূক্ত যেমন- ঔষধ, বিজ্ঞান, দর্শন স্পিরিচুয়ালিটি, এষ্ট্রোলজি এবং এষ্ট্রোনমি। আজ অনেক বিজ্ঞানীরা বলেছেন এটা আধুনিক এবং অত্যাধুনিক সিষ্টেম কারণ কনভেনশনাল মেডিসিনের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে যা অনেক নতুন নতুন অসুখের ক্ষেত্রে অপারগ অথচ আয়ুর্বেদিক ইউনানী ঔষধে এ সমস্ত রোগ প্রতিরোধ অথমা নিরাময় সম্ভব যেমনঃ ME (Myalgic Eneephalogmy Elitis) Strees-related disorders, arthritis, impotence, asthma, ecgmema, chronic illness ইত্যাদি। এছাড়াও মানসিক ও আবেগতাড়িত অসুস্থতায় আয়ুর্বেদ, ইউনানীর অবদানও কম নয়। যেমনঃ – detoxification, Diet, Exercise, Neditation, Spritual guidance -এগুলোও আয়ুর্বেদ, ইউনানী তত্ত্বের মধ্যে অর্ন্তভূক্ত। অর্থ্যৎ শুধুমাত্র আর্য়ুবেদ, ইউনানী মানেই ঔষধ এটা ঠিক নয়। আপনার দৈনন্দিন খাদ্যভাস, ব্যায়াম, মনোবল, ধ্যান সবকিছুই আর্য়ুবেদ ইউনানী। আয়ুর্বেদ, ইউনানী হচ্ছে প্রতিরোধক এবং প্রতিষেধক। আপনার অসুখ হওয়ার পূর্বেই যদি প্রতিরোধ করেন আপনার অসুখ হবে না। আপনার অসুখ হলে তখন আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন Conventional না Traditional মেডিসিন ব্যবহার করবেন। তাই বলবো আয়ুর্বেদ, ইউনানী চর্চায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশী যা conventional therapy তে নেই।

 সরকারের ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়ঃ বাংলাদেশে হারবাল ঔষধ শিল্প তৈরী এবং বিপননের ক্ষেত্রে সরকারের ভুমিকা যথেষ্ট নগন্য। বিশেষ করে ১৯৮২ সালের পূর্বে বাংলাদেশে ঔষধ নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তরে হারবাল ঔষধের উপর কোন নিয়ন্ত্রন বা আইন প্রনয়ণ হয়নি। যে কারণে নিয়ন্ত্রনহীন গাড়ী যেমন তার সঠিক রাস্তায় থাকতে পারে না। একইভাবে নিয়ন্ত্রনহীন হারবাল ঔষধ প্রতিষ্ঠানগুলো মুখথুবড়ে পড়েছিলো। কিন্তু পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ পৃথিবীর অনেক দেশে যা আগে থেকেই শুরু হয়েছে এবং আজ সেই সমস্ত দেশ অনেক উন্নত। যেমন ভারত, মালয়েশিয়া, চীন, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, আমেরিকায় প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ হারবাল ঔষধ ব্যবহার করে, পাশাপাশি সারা পৃথিবীতে তার রপ্তানি করে প্রচুর অর্থ আয় করে। অথচ দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশে এই জাতীয় ভুমিকা সরকারের নেই এমনকি আমরা করতে চাইলেও ড্রাগ আইনের আওতায় সেটা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

শুধু মাত্র হারবাল ঔষধ শিল্প তৈরি এবং বিপননে একটা দেশ সমৃদ্ধ হতে  পারে না তার জন্য প্রথমে দরকার শিক্ষা। অর্থ্যৎ আর্য়ুবেদ বা ইউনানী স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা যদি পাশের দেশ ভারতের কথা ভাবি তাহলে দেখবো তাদের গোটা দেশে প্রায় ১৭২টি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সরকারীভাবে ডিসপেনসারী রয়েছে এবং চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে প্রায় ১৫০০ এর উপরে বাংলাদেশে সরকার নিয়ন্ত্রিত ১টি কলেজ রয়েছে। এছাড়া কয়কেটি সরকারি কলেজ আছে যেখানে ডিপ্লোমা ডিগ্রী দেওয়া হয়। আর কিছু পাইভেট কলেজ আছে যেমন- এপি, হামদর্দ সহ অন্যান্য। ফলে এত শিল্প শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে আমাদের এর থেকে বেশি কিছু পাওয়া বোকামী ছাড়া কিছু নয়। আপনারা যারা আজকে গ্রেন প্লাস পরিবারের সদস্য হিসেবে যোগদান করেছেন আপনাদের হতেহবে নিবেদিত প্রাণ। এ দেশের নাগরিক আমি। এ দেশের সকল দায়িত্ব আমার, যতটুকু সুযোগ আছে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই আমি দেশের জন্য কিছু করতে চাই। এ দেশের সকল দায়িত্ব আমার, যতটুকু সুযোগ আছে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়িই আমি দেশের জন্য কিছু করতে চাই। এ দেশের সকল দায়িত্ব আমার, ‍যতটুকু সুযোগ আছে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই আমি দেশের জন্য কিছু করতে চাই। তাই বলবো-আজকে গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী) নামে যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠতে যাচ্ছে সেটিকে আপনাদের শক্ত করে ধরতে হবে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারী রাজস্বসহ বিদেশী অর্থ উপার্জন করে এ দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা সম্ভব।

আপনারা পূর্বেই শুনেছেন, এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে শতাধিক ব্যক্তি কাজ করেন, এই ১০০ জনের পরিবারে যদি ৪জন করে সদস্য থাকে তাহলে ৪০০ জনের খাদ্য সংস্থান হয় এ প্রতিষ্ঠান থেকে। ১০০ জনের কর্ম সংস্থান এবং ৪০০ জনের খাদ্য সংস্থান হয়। কিছুটা হলেও মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণের সার্থকতা আপনি যদি পেতে পারেন এবং কিছুটা হলেও এ দেশের জন্য আপনি দায়িত্ব পালন করলেন।

 

cardamomwhitepestle1-570x400আমাদের শক্তিঃ প্রধানত আমরা ডক্টর ভিজিট এর মাধ্যমে প্রেসক্রিপশন এর সাহায্য ঔষধ বিক্রয় করতে চাই। আমাদের গুণগত মান উন্নত।আমাদের ঔষধের দাম কিছুটা হলেও কম। কর্মনিষ্ঠা এবং সততার সাথে বিপনণ। দেশী/বিদেশী গবেষকের তত্ত্ববধানে। আধুনিক টেকনোলজি। প্রতিনিয়ত আধুনিক শিক্ষার সাথে সমন্বয়।

 

 

 
unani-products-250x250
ভবিষ্যৎ- গ্রেন প্লাস ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী) এর রয়েছে ভবিষ্যৎস্বপ্ন। “গ্রেন প্লাস” এ দেশের Natural Medicine কোম্পানী গুলোর অন্যতম নেতৃস্থানীয় কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চায়। দেশে বিদেশে তার কৃতিত্বকে মেলে ধরতে চায়। আধুনিক প্রযুক্তি-দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিদ্বন্দিতার সারিতে দাড়িয়ে। “গ্রেন প্লাস” অবদান রাখবে এদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সর্বোপরি মানুষের কল্যাণে। আমাদের বিশ্বাস,সাহস এবং সুনামকে পুজি করে “গ্রেন প্লাস” স্বমহিমায় আলোকময় হয়ে উঠবে।